আমাদের অবস্থান
এক.
আমাদের এই আন্দোলন কোনভাবেই প্রকৃত হিজড়াদের বিরুদ্ধে নয়, বরং তাদের পক্ষেই আমাদের অবস্থান।
আমরা মনে করি হিজড়ারাও আমাদেরই ভাই-বোন। তাদেরও সমাজে মাথা উঁচু করে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার অধিকার আছে। দেশে প্রকৃত হিজড়ার সংখ্যা ১০ হাজারেরও কম। আমরা চাই এই অল্প সংখ্যক মানুষকে চাঁদাবাজির কলঙ্কিত জীবন থেকে বের করে এনে পুনর্বাসন, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সুস্থ, স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা হোক।
দুই.
আমরা বিচারক নই, শুভাকাঙক্ষী। আমাদের এই আন্দোলন সমকামী নিধনের মিশন নয়, বরং সমকামিতার সামাজিকীকরণ ও স্বাভাবিকীকরণ প্রতিরোধের মিশন।
আমরা জানি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এবং পশ্চিমাকাশে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত যত বড় গুনাহগারই হোক তওবার দরজা তার জন্য বন্ধ হয়ে যায় না। যারা পরিস্থিতির শিকার হয়ে ভুল করে সমকামিতায় অভ্যস্ত হয়ে গেছে, আমরা কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে তাদেরকে এই ভয়ংকর বিপথগামিতা থেকে বের করে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে চাই।
তিন.
আমরা ব্যক্তির মানবিক অধিকারের পক্ষে, কিন্তু সমকামিতার মতো বিকৃত আচরণকে আইডেন্টিটি ও অধিকারের স্বীকৃতি দানের বিপক্ষে।
আমাদের এই শ্লোগান আমাদের সুস্পষ্ট অবস্থানকে ব্যক্ত করেঃ
সমকামিতার স্বীকৃতি
অধিকার নয়, বিকৃতি।
ব্যক্তির জন্য অধিকার
বিকৃতির জন্য প্রতিকার।
আমাদের দাবীসমূহ
এক.
“লিঙ্গ পরিচয়”, “লিঙ্গ বৈচিত্র্য”, “লিঙ্গ সমতা”,”লিঙ্গ বৈষম্য”,”তৃতীয় লিঙ্গ” (বা থার্ড জেন্ডার), “অন্যান্য লিঙ্গ” ইত্যাদি শব্দের মারপ্যাঁচে, “কাউকে বাদ দিয়ে নয়” এমন ধোঁয়াশে শ্লোগানের অন্তরালে,
অসংজ্ঞায়িত “অন্তর্ভুক্তিমূলক”(বা “ইনক্লুসিভ”), “পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী” বা “প্রান্তিক জনগোষ্ঠী” ইত্যাদি শব্দের আড়ালে
অথবা “হিজড়া”র ছদ্মপরিচয়ে
এলজিবিটি ও ট্রান্সজেন্ডারবাদের স্বীকৃতি ও অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে
সমাজ-বিধ্বংসী ও ধর্মবিরুদ্ধ সমকামী-বান্ধব সমাজ
প্রতিষ্ঠার পাঁয়তারা বন্ধ করতে হবে।
দুই.
সংস্কারের নামে সমকামিতা বিরোধী ৩৭৭ ধারা
কোনভাবেই বিলুপ্ত করা যাবে না।
তিন.
বাংলাদেশে সমকামী বান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠার মাস্টার মাইন্ড ব্র্যাক, তাদের রিসার্চ পার্টনার আইসিডিডিআর,বি, ফিল্ড পার্টনার বন্ধু সোশ্যাল, মিডিয়া পার্টনার প্রথম আলো, ডেইলি স্টার ও ঢাকা ট্রিবিউনকে অবিলম্বে তাদের এলজিবিটি ও ট্রান্সজেন্ডারবাদ প্রতিষ্ঠার সকল কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
আমাদের আহ্বান
দেশবাসীর কাছে আমাদের আহবান, এদেশে সমাজ ও ধর্মবিরোধী সমকামী-বান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠার মাস্টার মাইন্ড ব্র্যাকের সকল প্রতিষ্ঠান বিশেষত ব্র্যাক ব্যাংক, বিকাশ ও আড়ং-কে সর্বাত্মকভাবে বয়কট করুন।







সংস্কারের নামে সমকামিতা বিরোধী ৩৭৭ ধারা, কোনভাবেই বিলুপ্ত করা যাবে না।
আল্লাহ সহায় হোক , এই সাইডটা মাকবুল হোক , দেশ ও জাতির ঈমান হেফাজতের মাধ্যম হোক । আমিন।
মোহতারাম সারওয়ার স্যারের দীর্ঘ নেক হায়াত কামনা করি