ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলাম বিরোধিতার একটি ঘটনা

ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলাম বিরোধিতার একটি ঘটনা আজকে প্রথম ফাঁস করছি।
তখন শিক্ষকতা করি (২০১২-২০১৪)। আমাদের এমএনএস ডিপার্টমেন্টের এক শিক্ষকের সাথে জুম্মার সময় ক্লাস দেয়ার ইস্যুতে চেয়ারম্যানের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। শুক্রবার দুপুর ১-২:৩০ টায় ফিজিক্সের এক জনপ্রিয় শিক্ষককে মেকাপ ক্লাস দেয়া হয়। উনি এপ্লিকেশন করে প্রতিবাদ জানান যেখানে যতদূর মনে পড়ে আমি নিজেও উনার পক্ষে সিগনেচার দিয়েছিলাম।
এই ইস্যুতে সেই ফ্যাকাল্টির চাকুরী চলে যায়। আমরা রীতিমতো আপসেট হয়েছিলাম। পরে তিনি নর্থসাউথে জয়েন করেছিলেন। অবাক করা বিষয় হচ্ছে প্রফেসর মাহবুব (ম্যাথ অলিম্পিয়াড মেন্টর) সাহেব ডীন হওয়ার পর উনাকে আবার ব্র‍্যাকে ফেরত আসতে অনুপ্রাণিত করেন। প্রফেসর মাহবুব ভাই আমার সাথেও যোগাযোগ করে জানতে চেয়েছিলেন কেন ব্র‍্যাক ছেড়েছি।
সেই কট্টর সেক্যুলার চেয়ারম্যান এখন পরকালের বাসিন্দা।
ব্র‍্যা-ক দেশের পাড় সেক্যুলাদের বড় আস্তানা যারা এই দেশের সামাজিক মূল্যবোধকে তেমন পাত্তা দেন না।
মজার বিষয় হচ্ছে অনেক সেক্যুলার মানুষগুলো প্রথম বা ক্ষনিক সাক্ষাতে মনে হতে পারে অমায়িক, কিন্তু পলিসি লেভেলে ইসলাম বিরোধীতা তাদের সহজাত স্বভাব।এদের অনেকে অবচেতন মনে উগ্র ইসলাম বিরোধীতার মানসিকতা লালন করেন তা সম্ভবত তারাও অনুধাবনও করতে পারেন না।
ব্রিটিশ শাসন আমলের সুবিধাভোগী জেনারেশনের পিতামাতার সন্তানগুলো ইংরেজি ভালো পারেন। এই অঞ্চলের মানুষ ইংরেজি ভাষার প্রতি বিস্ময়করভাবে দুর্বল। তাই কোন কিছু ইংরেজিতে বললে মনে করেন তারা অনেক জ্ঞানী! জনগণ ভুলে যায় যে তাদের পিতামাতা মূলত ব্রিটিশদের গোলাম ছিলো। বৃটিশরা চলে গেলেও সেই সিস্টেম সন্তান জেনারেশন লালন করে পুরো দেশটা তাদের কব্জায় রেখেছে।

প্রাসঙ্গিক লেখাসমূহ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *